প্রতিবাদী গান কোনো সমাজে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এক শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এই গান মানুষের অন্তরকে নাড়া দেয়, চেতনা জাগিয়ে তোলে এবং দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সাহস ও ঐক্য গড়ে তোলে। ইতিহাসজুড়ে দেখা গেছে, স্বাধীনতা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা, সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে গণজাগরণ-এসব ক্ষেত্রে প্রতিবাদী গান মানুষকে আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ করেছে। যেমন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি" গানটি ভাষার অধিকারের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। এ ধরনের গান একদিকে যেমন বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা দেয়, তেমনি মানুষের হৃদয়ে আশা, স্বপ্ন ও সাহসের সঞ্চার করে। এভাবেই প্রতিবাদী গান কেবল বিনোদনের উপকরণ নয়, বরং সামাজিক পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে ওঠে।
Related Question
View Allগোবিন্দ হালদার।
‘‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির সুরকার আবদুল গাফ্ফার চৌধুরি।
“আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী' গানটির সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
বাংলা সাহিত্যে প্যারডি রচনার পথিকৃৎ দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ‘ধন ধান্য পুষ্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির গীতিকার ।
‘বাংলাদেশ' গানটি পরিবেশন করেন জর্জ হ্যারিসন। ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হওয়া 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' নামের সঙ্গীতানুষ্ঠানের প্রধান শিল্পী জর্জ হ্যারিসন। ১৯৭১ সালের এই দিনে পণ্ডিত রবিশংকর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার জন্য শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এ অবিস্মরণীয় কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!